কেন আপনি এনসিপিতে যোগ দিবেন:-
১) বাংলাদেশে সবচেয়ে কম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ জনপ্রিয় দল হচ্ছে এনসিপি। মাত্র ১ বছরের রাজনীতিতে এনসিপির ০৬ জন প্রতিনিধি বর্তমান সংসদ সদস্য,বিরোধী দলীয় চীপ হুইপ।
২) বাংলাদেশে অন্যান্য দলগুলো পরিবারতন্ত্রিক। নেতার ছেলে নেতা হবে এই ধারাবাহিকতায় চলে। কিন্তু এনসিপিতে কোন পরিবারতন্ত্র নাই। নির্দিষ্ট কোন পরিবারকে ঘিরে রাজনীতি না। এনসিপি বাংলাদেশের জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই তৈরি।
৩) সবচেয়ে বেশি তারুণ্য নির্ভর দল এনসিপি প্রযুক্তি যুগের সাথে তাল মিলাতে তারুণ্যের নেতৃত্ব অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর এনসিপি একমাত্র তারুণ্য নির্ভর দল।
৪) বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৫ বছরের প্রথা ভেঙ্গে রাজনীতি করে এনসিপি। একজন সংসদ সদস্যের জবাবদিহিতা,তারা কি কি সুযোগ সুবিধা পায়,জনগণের জন্য কি কি বাজেট আসে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম এনসিপির সংসদ সদস্যরা জনগণের কাছে উন্মুক্ত করেছে। যেমন হাসনাত আবদুল্লাহর দেখা দেখিতেই মানুষ এসব বিষয় নিয়ে জানতে পেরেছে। জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা,ইনসাফ ভিত্তিক আর্দশিক রাজনীতিই আমাদের মূল লক্ষ্য।
৫) অন্য দলে নারী নেতৃত্বের সুযোগ সম্ভাবনা খুবই কম আর এনসিপি নারী নেতৃত্বের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থল। এনসিপি নারী পুরুষ সবাইকে সমান সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে।
৬) জুলাই গণ অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া সম্মুখসারীর দল এনসিপি। ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানে সফল নেতৃত্ব দেওয়া একমাত্র দল এনসিপি।
৭) তৃণমূলকে মূল্যায়ন করা একমাত্র রাজনৈতিক দল এনসিপি। এনসিপিতে সবাই নেতা আবার সবাই কর্মী। ব্যক্তি বিশেষ কোন বিশেষ সুযোগ সুবিধা কিংবা তৃণমূলকে অবজ্ঞা করার রাজনীতি এনসিপিতে নেই।
৮) এনসিপিতে কোন দলীয় কোন্দল নেই,কোন গ্রুপিং নেই। অঞ্চলভিত্তিক,নেতা ভিত্তিক কোন গ্রুপিংয়ের স্থান নেই এনসিপিতে।
৯) বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য নির্ধারণ হয় রাজনৈতিক ময়দানে। তাই আমরা না চাইতেও রাজনীতিই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। রাজনীতিকে জণগণের স্বার্থে নিয়ে আসতে এনসিপির বিকল্প নেই।
১০) এনসিপিতে সকল মতাদর্শী,ভিন্ন ধর্মাবলম্বী,কিশোর থেকে বৃদ্ধ, নারী থেকে পুরুষ সকল বয়সী জনগণের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ফ্ল্যাটফর্ম এনসিপি।
তাই আজই এনসিপিতে যোগ দিন। দেশ ও দশের উন্নয়নে অবদান রাখুন। দেশকে ভালেবাসুন দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করুন। এর জন্য এনসিপি এর হাতকে শক্তিশালী করুন।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন